Friday, 3 July 2020

রেল কলোনির আড্ডা ( পর্ব ৪ )

চিত্তরঞ্জনের ইতিহাস বলতে গেলে রেল কারখানা শুধু নয় ; আরও অনেক ইতিহাস মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে এই শহরের অলিতে গলিতে । এই যেমন ধরুন হলো ব্রিক্সের আবিষ্কার ; সেও তো এই চিত্তরঞ্জনেই । 


1950 সালের পয়লা নভেম্বর ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রথম ইঞ্জিনটি স্বর্গীয় দেশপ্রেমিক চিত্তরঞ্জন দাশের নামে উৎসর্গ করেন, এবং তাঁর নামানুসারে এই নতুন তৈরি প্রজেক্ট এর নাম রাখেন চিত্তরঞ্জন লোকমোটিভ ওয়ার্কস বা CLW.এবং সাথে সাথে মিহিজাম স্টেশন এর নাম বদলে রাখা হলো চিত্তরঞ্জন।


চিত্তরঞ্জন শহরটি জখন গড়ার কাজ শুরু হয়েছিল তখন এরিয়ার মোট ক্ষেত্রফল ছিল মাত্র ১৮.৩৪ স্কোয়ার কিলোমিটার ও মোট বাজেট ছিল মাত্র ১৪ কোটি টাকা । 


তখন এম গণপতি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ। ডিভি বয়েজ স্কুলের পাশে প্রথম এডমিনিষ্ট্রেটিটিভ অফিস গণপতি হাট তাঁর নামেই তৈরি এবং তাকে সম্মান জানবার জন্য প্রথম রাস্তার নাম রাখা হলো গণপতি এভিনিউ। ধীরে ধীরে রাস্তা শহরের দিকে এগোতে শুরু করলো। ভিআইপিদের যাতায়াতের জন্য তৈরি হল ৬ নম্বর রাস্তা যেখান দিয়ে তারা সোজা কারখানা পরিদর্শনে যেতেন। ধীরে ধীরে কোয়ার্টার বানানোর কাজ আমালাদহির দিকে এগোতে লাগলো। সলিড ইঁটের তৈরি দিয়েই কোয়ার্টার বানাবার কাজ চলছিল। কিন্তু বাজেট ফিক্সড আর কর্মীর সংখ্যা অনেক। এই টাকায় কি অত সংখ্যক কর্মিকে কোয়ার্টার দেওয়া যাবে ? 


এই সময় মিস্টার থাডানি বলে এক সিভিল কন্ট্রাক্টর এগিয়ে এলেন। তিনি তাঁর নকশায় হলোব্রিক্স এর পরিকল্পনার কথা জানালেন। গণপতি সাহেবের সেটা পছন্দ হলো। অর্ডার দিলেন হলো ব্রিকস তৈরির। কিন্তু বানাবেন কোথায় ? এখন যেটা এরিয়া সিক্স বলে পরিচিত সেই ফাঁকা মাঠের মাঝখানে থাডানি সাহেব বানিয়ে ফেললেন হলো ব্রিক্স এর কারখানা। শুরু হলো সিমেন্ট বালির মিশ্রনে নতুন ধরনের ছাঁচে ফেলা হলো ব্রিকস। ইঁটের মাঝখানে ফাঁপা। ভাবা হয়েছিল  ইঁটের ভেতরে বালি ভরা হবে। তাহলে গরমে দিনের বেলায় ঠান্ডা থাকবে ঘর। কিন্তু হয় নতুন করে খরচের ভয়ে সেটা আর করা হয়নি। ভালোই সাড়া পাওয়া গেল। সেই ইঁটে কোয়ার্টার বানাতে কোনো অসুবিধে হলো না। ব্যাস জোর কদমে তৈরি হতে লাগলো হলো ব্রিকস। ইঁট বাইরে থেকে এনে যা খরচা তার অনেক কমে এই ইঁট এখানেই তৈরি হতে লাগলো। ধীরে ধীরে লোকের মুখে ওই শেডের নাম হয়ে গেল থাডানী শেড। ১৯৫০ সালে এই শেডের ওপর মাইক লাগিয়ে বাজানো হয় মহালয়া । 


কি অদ্ভুত না ! হলো ব্রিকস এর মত এক নতুন ধারণা এই চিত্তরঞ্জনেই শুরু হয় , যার ফলে এই শহর সস্তায় বাড়ি বানানোর এক অভিনব পন্থা গড়ে নজির করে তোলে । এমন ইতিহাস আরো আছে , আসলে চিত্তরঞ্জনের পাতায় পাতায় ইতিহাস । কিন্তু তবু এই শহর দাবি করতে শেখায় নি কোনদিন । বরং চিরটাকাল দিয়ে গেছে অনেক অনেক বাকিদের ।
এ শহরের জীবনযাত্রার ছোঁয়ায় তাই অজয় নদের ভূমিকা বিশাল । এ নদকে বাদ দিয়ে চিত্তরঞ্জনকে কল্পনাও করা যায় না । সুখ দুখের সঙ্গি হয়ে অজয় বয়ে চলেছে এ শহরের হৃদয় ছুয়ে । অজয় নদের ধারে গড়ে উঠেছে হনুমান মন্দিরের মত বনভোজন স্থল । প্রতি বছর শীতের কুয়াসা বুকে জড়িয়ে কতো মানুষ ভিড় করে একটু আনন্দে মেতে উঠতে । আবার ছট পুজোর আনন্দ অথবা মহালয়ার ভোরে ভিড় করা মানুষদের তর্পনের একমাত্র স্থল হয়ে উঠেছে এই অজয় । তবে একটা দিক দেখলেই চলবে না । প্রতি বছর অজয় নিজের সাথে ডেকে আনে ভয়াবহ বন্যা । গ্রামের পর গ্রাম ভাসিয়ে নিয়ে যায় নিজের গভিরে । 


আসলে চিত্তরঞ্জন নিয়ে স্মৃতিমন্থনের অভাব নেই । এখানে পুরুষের পর পুরুষ এসেছে , থেকেছে আবার চলেও গেছে । কতো স্মৃতি আজ এর পাতায় পাতায় । তেমনই একটা স্মৃতিমোহ অধ্যায় হল টেকনিক্যাল স্কুল ; রেল যাত্রা ও আরও অনেক কিছু । একে একে সবই জানাবো । 


তবু চিত্তরঞ্জন কোনোদিন কাউকে আঁকড়ে রাখে নি নিজের মধ্যে , চিরকাল ঠেলে দিয়েছে দূরে ; প্রতিষ্ঠিত হতে  , নিজের পায়ে দাঁড়াতে । রেল ইঞ্জিনের রেল সুবিধা দিয়ে গেছে আমাদের বারবার যাতে যাতায়াতের সমস্যা না হয় । সেই রেল ইতিহাস নিয়েই আমার আজকের পর্ব । 


চিত্তরঞ্জনে রেল ইঞ্জিন তৈরির ইতিহাস অনেক পুরোনো । এই লেখার প্রথম দিকেই বলেছিলাম চিত্তরঞ্জন কে কেন বেছে নেওয়া হলো এই কারখানা তৈরির জন্য তা পরে বলবো । আজ সেদিক নিয়েই একটু আলোচনা করা যাক । চিত্তরঞ্জন বিখ্যাত হওয়ার ইতিহাস বলতে গেলে চলে আসে সেই রেল ইঞ্জিন তৈরির  ইতিহাস।এই ইতিহাসে  যেমন গর্ব বোধ হয়, ঠিক তেমনি লুকিয়ে আছে বহু বিষাদ বেদনা ভরা কাহিনী । চলুন তাহলে এই প্রাণের তৈরির শহরের সেই দিনগুলো থেকে ঘুরে আসি একবার ।


  চিত্তরঞ্জন সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য ছিল রেলওয়ে ইঞ্জিন-কারখানা তৈরি করে বিদেশ থেকে ইন্ঞ্জিন আমদানী বন্ধ করা । ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি এ বিষয়ে বেশ ওয়াকিবহল ছিল যে ভারতে নতুন কারখানা নির্মাণে যথেষ্ট ঝুঁকি আছে ; তবে বিদেশ থেকে ইঞ্জিন পরিবহন করতে খরচও বাড়ছিল । তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই তারা কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা করেন ।  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি হাম্পারিশ এন্ড কোম্পানিকে রেল ইঞ্জিন তৈরির জন্য উপযুক্ত জায়গা নির্বাচন করার দায়িত্ব দিলে, এরা ভারতের চারটি জায়গা পছন্দ করেছিলো । তার মধ্যে একটি মহারাষ্ট্রের পুনেতে কাছে ঘোড়পারে, দ্বিতীয়টি মধ্য প্রদেশের ছিন্দোয়ারা জেলার জুন্নারদেও, তৃতীয়টি হরিদ্বারের কাছে  ( বর্তমানে ভেল ওযার্কসসপ) এবং চতুর্থটি বঙ্গের কাঁচরাপাড়া । চাঁদমারির নামও অবশ্য বিবেচনায় ছিল কিন্তু দেশ ভাগের ফলে এই নামটিও বাতিল করা হয় । বর্গী জলদস্যুর কথা চিন্তা করে মহারাষ্ট্রের নাম বাদ দেওয়া হয় । কয়লা খাদান পূর্ণ এলাকার জন্য বাদ পরে মধ্য প্রদেশের  নাম,  চীন সীমান্ত নিকটবর্তী হওয়ার জন্য বাতিল হয় হরিদ্বারের নাম  এবং অবশেষে কাঁচরাপাড়ার নাম,  নির্বাচনে সর্বসন্মতিক্রমে গৃহীত হয় ।


সারা ভারত জুড়ে তখন, স্বাধীনতা আন্দোলনে যুব সম্প্রদায়ের উন্মাদনা , তার ওপর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের হাতছানি , তাইতো, কিছু কালের জন্য তারা ইন্ঞ্জিন কারখানা তৈরির পরিকল্পনা স্থগিত রাখলো । অবশেষে,  উপস্থিত হলো ১৯৪৭ সালের ১৫-ই আগস্ট । স্বাধীন হল ভারতবর্ষ । রেল ইঞ্জিন কারখানা তৈরীর পরিকল্পনা, বাস্তবায়িত হল না ইংরেজদের দ্বারা । স্বাধীনতা উত্তর সময়ে এই পরিকল্পনা স্থানান্তরিত হলো বিহার বাঙলা মধ্যবর্তী গ্রাম চিত্তরঞ্জনে । জনমন দুঃখ খুশির জোয়ারে ভেসে উঠলো নতুন এই প্রাপ্তির মধ্যে দিয়ে । তবে শহর গঠনের কাজটা খুব সহজ ছিল না । নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে গড়ে উঠলো ইতিহাস । চলুন আজ সেই ইতিহাসের পাতায় ঘুরে আসা যাক । 


সালটা ১৯৪৮ । স্বাধীন ভারতবর্ষে চিত্তরঞ্জনে রেল ইঞ্জিন কারখানা স্থানান্তরিত তো হলো , কিন্তু এখানে কারখানা তৈরি করতে গেলে যে জমি লাগবে তার অধিকাংশটাই সাঁওতাল অধ্যুষিত অঞ্চল । তাদের সাথে কথা না বলে কোন জমিই অধিগ্রহণ করা যাবে না । রেল কর্তৃপক্ষ সেই মত কাজ শুরু করে দিলো 

বর্তমান চিত্তরঞ্জনের সাথে , তৎকালীন চিত্তরঞ্জনের একটি তুলনামূলক আলোচনা করলে ব্যাপারটি আরও পরিষ্কার হবে । বুঝতে পারবেন চিত্তরঞ্জন গঠনের আগে রেল কর্তৃপক্ষকে কোথা কোথা থেকে কি কি ঝামেলা পোয়াতে হয়েছিল , যার আলোচনা আজও একটা জলজ্যান্ত ইতিহাস হয়ে চিত্তরঞ্জনে রয়ে গেছে ।


তৎকালীন সময়ে অর্থাৎ দেশ স্বাধীন হওয়ার সময়ে সাঁওতাল অধ্যুষিত গ্রাম ছিল সিমজুরী, ফতেহপুর, কুশবেদিযা, ডাঙ্গাল ও আমলাডিহি । তার মধ্যে কুশবেদিযা, ডাঙ্গাল গ্রাম দুটি অজয় নদের ওপারে বিহার অন্তর্ভুক্ত ছিল । সিমজুরী , ফতেহপুর ও আমলাদিহি ছাড়া  বর্ধমান জেলার গৌরান্ডির দাসকিযারী, পান্ডবেশ্বর এই সব এলাকায় ও  ছিল সাঁওতালদের ঘনবসতি । দামোদর নদের উভযপারে বারাবনি, সালানপুর, জামুড়িয়া, দুর্গাপুর, ফরিদপুর, কাঙসা, ইলামবাজার, তারাপীঠ ছিল একসময়ে সাঁওতাল আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রাম। এগুলি ধিরে ধিরে অধিকৃত হতে থাকে নগরায়নের জন্য । 


১৯৪৮ সালে চিত্তরঞ্জনের নকশা প্রস্তুত ও জমি অধিগ্রহনের কাজ শুরু হয়  । ঠিক করা হয় গ্রামগুলি অধিগ্রহণ করে রেল কারখানা নির্মিত হবে । প্রায় সকলেই সেই ডাকে সাড়া দিলেও সিমজুরী ও ফতেহপুর গ্রাম দুটি রাজি হয় নি । ওই দুটি গ্রাম ছিল সাঁওতাল অধ্যুষিত । সাঁওতালদের সাথে বহু আলোচনা করা হয় রেলের তরফে কিন্তু তারা এসব শুনতে মোটেও রাজি ছিল না । জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে রেলের সাথে সাঁওতালদের এক অসম সংগ্রাম আরম্ভ হতে থাকে । 


রেল কর্তৃপক্ষ তবু লড়াইয়ের সিদ্ধান্তে এগিয়ে যেতে চায়নি । নানা রকম প্রলোভন দেখানো হয় যাতে এই জমি সাঁওতালরা দিয়ে দেয় , কিন্তু তারা গোঁ ধরে বসে ছিল । ফলে কোন আলোর দিশা রেল দেখছিল না । যুদ্ধই মনে হচ্ছিল একমাত্র পথ । সেই পথ রক্তাক্ত , সেই পথ অসহনীয় ; তবু সেই পথই রেল কোম্পানির কাছে শেষ পথ । অতঃপর নোটিস গেলো সরকারের জমি খালি করার । সাওতাল গ্রামবাসীদের কাছে এ এক অন্ধকার দিনের সূত্রপাত ছিল । তবু তারা দমিয়ে যায় নি । অবলা সাঁওতাল ও আদিবাসীদের রক্তে ভেসে উঠলো চতুর্দিক । অবশেষে এক সমঝোতার মধ্যে দিয়ে দমিয়ে দেওয়া হলো তাদের । জয়ী হলো চিত্তরঞ্জন নির্মাণের স্বপ্ন । 


কিছু মানুষ একটি চাকরি, পাঁচশো টাকা ও একটি সাইকেলের লোভের জালে পা বাড়ালেও , কিছুজন তখনও শেষ চেষ্টা করতে চেয়েছিল । চিঠি পাঠানো হলে রেলমন্ত্রক তাদের আবেদন খারিজ করে দেয় । ধামনবেরিযা, আছড়া, আমঝোরিযা, জিমারী, দেন্দুযা, বাথানবাড়ি, হালদা, সামডি, পিথাকিযারি, বৃন্দাবনী , খাঁড়িমতি, রাঙাশলা, নোযাদিপ, ভাগা, আমুই, শিউলিবাড়ি, দনদহা, ধানগুরি প্রভৃতি গ্রামের মোড়লদের পরামর্শে অবশেষে সাঁওতালরা নিজেদের জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হলো । সরকারের প্রতিনিধিদের হাতে শেষ সম্বলটুকু,  জমির দলিল, হাতে তুলে দিলে নগদ এক কুড়ি টাকা  ও ব্যাঙ্কের বই দিয়ে দেওয়া হয় , যাতে লেখা ছিল প্রাপ্য টাকার অঙ্ক।   চাকুরীর জন্য ডাকা হয় কয়েকদিনের মধ্যেই আর তখনই দেওয়া হয় প্রত্যেককে এক একটি সাইকেল । 


মাত্র 14 কোটি টাকা নিয়ে চিত্তরঞ্জনের 18.34 স্কোয়ার কিলোমিটার শহর নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। কারখানার ফাউন্ডেশন তৈরির কাজ চিত্তরঞ্জনেই হতো আর বাকি লোহার স্ট্রাকচার ইত্যাদি আসতো বার্নপুর এবং জামশেদপুর থেকে। তখন এম গণপতি ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ। ডিভি বয়েজ স্কুলের পাশে প্রথম এডমিনিষ্ট্রেটিটিভ অফিস গণপতি হাট তাঁর নামেই তৈরি হয় । চিত্তরঞ্জন গড়ার কাজ ১৯৪৮ সাল থেকে জোর কদমে শুরু হয় এবং ২ বছরের মধ্যে এর নির্মাণ সম্পূর্ণ হয়ে যায় ।


1950 সালের পয়লা নভেম্বর ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রথম ইঞ্জিনটি স্বর্গীয় দেশপ্রেমিক চিত্তরঞ্জন দাশের নামে উৎসর্গ করেন, এবং তাঁর নামানুসারে এই নতুন তৈরি প্রজেক্ট এর নাম রাখেন চিত্তরঞ্জন লোকমোটিভ ওয়ার্কস বা CLW.এবং সাথে সাথে মিহিজাম স্টেশন এর নাম বদলে রাখা হলো চিত্তরঞ্জন। 


এই হলো একটি ইতিহাসের সূচনা , যার আদ্যপ্রান্ত সংগ্রাম আর ইতিহাসে মোড়া । চিত্তরঞ্জনের গঠনের সময় থেকেই নির্মল শহর গঠনের দিকে জোর দেওয়া হয় । রাস্তার দুপাশে মাথা তুলে সারি সারি দাঁড়িয়ে থাকা কোয়ার্টার এক অন্য পৃথিবী সেজে ধরা দেয় আমাদের কাছে । 



( চলবে )

No comments:

Post a Comment